খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

নিউজ সিক্স

আইটিপল্লী নিউজ-১ ডেমো নিউজ সিক্স

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
আইটিপল্লী নিউজ-১ ডেমো নিউজ  সিক্স

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য-সংস্কৃতি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
   
মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য-সংস্কৃতি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কাউতলী এলাকায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে “আমাদের স্বাধীনতা ও সংস্কৃতি” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বাদ মাগরিবে স্থানীয় স্বপ্নতরী হলরুমে এ আয়োজন করা হয়।

বিজয় সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মুহাম্মদ ইসমাইল ভূইয়া। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিককর্মী, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হলে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানটি একটি প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতির চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কাছাইটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাগড়ি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
   
কাছাইটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাগড়ি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাছাইটে অবস্থিত আজিজুল হক মাদ্রাসা ও এতিমখানার মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পাগড়ি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আলেম-উলামারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল ওয়াহাব বড় হুজুর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়া ইউনুসিয়া মাদ্রাসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা শরীফ উদ্দিন আফতাবী। প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল ওয়াহাব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আমির হামজা ভুইয়া।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব রফিকুল ইসলাম ফাজাক্কির। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা মো. সুজন মিয়া, মাওলানা ইউসুফ সাহেব, মো. জামাল মিয়া ও মো. ফুটন মিয়াসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেব। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মাওলানা নিজাম উদ্দিন সাহেব ও মাওলানা শরীফ উদ্দিন সাহেব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও প্রেরণা দিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাগড়ি বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দ্বীনি শিক্ষার প্রতি আরও অনুপ্রাণিত করা হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে পাগড়ি বিতরণ করা হয় এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদের আনন্দে ভিন্ন বার্তা—প্রয়াত শিক্ষকদের কবর জিয়ারতে আমির হামজা ভুইয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
   
ঈদের আনন্দে ভিন্ন বার্তা—প্রয়াত শিক্ষকদের কবর জিয়ারতে আমির হামজা ভুইয়া

ঈদকে ঘিরে ভিন্নধর্মী এক মানবিক উদ্যোগের নজির স্থাপন করেছেন আমির হামজা ভুইয়া। পবিত্র এই উৎসব উপলক্ষে তিনি তাঁর বাল্যকালের শিক্ষকদের স্মরণে তাদের কবর জিয়ারত করেন এবং জীবিত শিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

জানা যায়, আমির হামজা ভুইয়া তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু করেছিলেন কাছাইট ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায়। সেই সময়ের যেসব শিক্ষক আজ ইন্তেকাল করেছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত করেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মাওলানা শামছুল হক (আটলা), ক্বারি আবুল কালাম (ফুলবাড়িয়া) এবং মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (উত্তর জগৎসার)।
কবর জিয়ারতের সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন, যা পুরো আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

শুধু প্রয়াত শিক্ষকরাই নয়, জীবিত শিক্ষকদের প্রতিও সম্মান জানাতে তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় যেসব শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা লোকমান হোসাইন খান, আব্দুন নুর মাস্টার, আনু মাস্টার এবং ক্বারি আব্দুস সালাম।
এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই এটিকে শিক্ষক সম্মান ও কৃতজ্ঞতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ঈদের মতো আনন্দঘন সময়ে এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।