খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বন্ধ এমএলএম এমটিএফই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩, ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বন্ধ এমএলএম এমটিএফই

ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের নামে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বন্ধ হয়েছে এমটিএফই নামক একটি প্রতিষ্ঠান। দুবাই ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম পঞ্জি মডেলে ব্যবসা করতো। ভারত ও বাংলাদেশ থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিনিয়োগকারী ছিল। তবে এই ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থই বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের বলে অভিমত সাইবার বিশ্লেষকদের।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) রাতে বিষয়টি দৈনিক কালবেলাকে নিশ্চিত করেন একাধিক সাইবার বিশ্লেষক এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ আল জাবের দৈনিক কালবেলাকে বলেন, অনেকদিন থেকেই আমরা এই প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে সতর্কতা দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু মানুষ লোভের ফাঁদে পড়ে এখানে টাকা দিচ্ছিল। তিন দিন আগে জানতে পারি যে, এখানে যারা টাকা দিচ্ছিলেন তারা আর টাকা উঠাতে পারছিলেন না। আজ পুরোপুরিভাবে এমটিএফই তাদের সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছে।

আরেক সাইবার বিশ্লেষক মাহবুবুর রহমান বলেন, এটা একটা স্ক্যাম। বাংলাদেশে তাদের কোন অফিস নেই, কোন নির্দিষ্ট জনকাঠামো নেই। স্থানীয় কিছু এজেন্টদের দিয়ে তারা মানুষের থেকে টাকা নিতো। তারপর তাদেরকে আবার অন্য বিনিয়োগকারীদের আনতে বলতো। এমএলএম বা পনজি যেভাবে কাজ করে আর কি। ডেসটিনি যেমন গাছ দেখিয়ে টাকা নিয়েছে, এরা ক্রিপ্টোকারেন্সি বলে সাধারণ মানুষদের থেকে টাকা নিয়েছে। বিনিয়োগের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মুনাফা পাওয়া যাবে এমন লোভ দেখানো হতো।

মাহবুবুর রহমান আরও বলেন, তাদের ওয়েবসাইটে ছিল, অ্যাপ ছিল। সেই অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং বা বাইন্যানসের মাধ্যমে তারা টাকা নিতো। পরে স্থানীয় এজেন্টরা সেটি বাইরে পাচার করতো। বাংলাদেশে এসএসসি এবং এইচএসসি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মুনাফার লোভ দেখিয়ে টার্গেট করা হতো। মুন্সীগঞ্জের অনেক কিশোর এবং তরুণ এর শিকার হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি তে লেনদেন অবৈধ এবং নিষিদ্ধ।

মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য-সংস্কৃতি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
   
মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য-সংস্কৃতি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কাউতলী এলাকায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে “আমাদের স্বাধীনতা ও সংস্কৃতি” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বাদ মাগরিবে স্থানীয় স্বপ্নতরী হলরুমে এ আয়োজন করা হয়।

বিজয় সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মুহাম্মদ ইসমাইল ভূইয়া। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিককর্মী, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হলে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানটি একটি প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতির চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কাছাইটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাগড়ি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
   
কাছাইটে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাগড়ি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাছাইটে অবস্থিত আজিজুল হক মাদ্রাসা ও এতিমখানার মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পাগড়ি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আলেম-উলামারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল ওয়াহাব বড় হুজুর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়া ইউনুসিয়া মাদ্রাসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা শরীফ উদ্দিন আফতাবী। প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল ওয়াহাব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আমির হামজা ভুইয়া।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব রফিকুল ইসলাম ফাজাক্কির। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা মো. সুজন মিয়া, মাওলানা ইউসুফ সাহেব, মো. জামাল মিয়া ও মো. ফুটন মিয়াসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা আব্দুল আজিজ সাহেব। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মাওলানা নিজাম উদ্দিন সাহেব ও মাওলানা শরীফ উদ্দিন সাহেব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও প্রেরণা দিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাগড়ি বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দ্বীনি শিক্ষার প্রতি আরও অনুপ্রাণিত করা হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে পাগড়ি বিতরণ করা হয় এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদের আনন্দে ভিন্ন বার্তা—প্রয়াত শিক্ষকদের কবর জিয়ারতে আমির হামজা ভুইয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
   
ঈদের আনন্দে ভিন্ন বার্তা—প্রয়াত শিক্ষকদের কবর জিয়ারতে আমির হামজা ভুইয়া

ঈদকে ঘিরে ভিন্নধর্মী এক মানবিক উদ্যোগের নজির স্থাপন করেছেন আমির হামজা ভুইয়া। পবিত্র এই উৎসব উপলক্ষে তিনি তাঁর বাল্যকালের শিক্ষকদের স্মরণে তাদের কবর জিয়ারত করেন এবং জীবিত শিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

জানা যায়, আমির হামজা ভুইয়া তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু করেছিলেন কাছাইট ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায়। সেই সময়ের যেসব শিক্ষক আজ ইন্তেকাল করেছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত করেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মাওলানা শামছুল হক (আটলা), ক্বারি আবুল কালাম (ফুলবাড়িয়া) এবং মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (উত্তর জগৎসার)।
কবর জিয়ারতের সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন, যা পুরো আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

শুধু প্রয়াত শিক্ষকরাই নয়, জীবিত শিক্ষকদের প্রতিও সম্মান জানাতে তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় যেসব শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা লোকমান হোসাইন খান, আব্দুন নুর মাস্টার, আনু মাস্টার এবং ক্বারি আব্দুস সালাম।
এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই এটিকে শিক্ষক সম্মান ও কৃতজ্ঞতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ঈদের মতো আনন্দঘন সময়ে এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।